
অনলাইন ডেস্ক
সিলেটে জালিয়াতি ও প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে পরিবার পরিকল্পনা বিভাগে নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগে দুই কর্মকর্তা এবং ভুয়া ঠিকানা ব্যবহারের অভিযোগে নিয়োগপ্রাপ্ত আটজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আজ বৃহস্পতিবার সকালে দুদক সিলেটের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক নিঝুম রায় সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানান।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আজ সকালে সিলেট মহানগর আদালতের সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে ১০ জনকে আসামি করে মামলা হয়েছে। মামলায় পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের দুজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এখতিয়ারবহিভূর্ত ও বেআইনিভাবে দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে আটজনকে সরকারি চাকরিতে নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে, যা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। ২০২২ ও ২০২৩ সালের বিভিন্ন সময়ে এ নিয়োগ দেওয়া হয়।
মামলায় সিলেট জেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের সহকারী পরিচালক, সাবেক ভারপ্রাপ্ত উপপরিচালক (সাময়িকভাবে বরখাস্ত) লুৎফুন্নাহার জেসমিন এবং সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা সহকারী ও বর্তমানে প্রেষণে জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ে নিযুক্ত বরুণ ছত্রীকে আসামি করা হয়। অন্য আসামিরা হলেন সরকারি চাকরিতে নিয়োগপ্রাপ্ত তাসলিমা আক্তার, তাহসিন মাসুমা কচি, শক্তি রানী পাল, স্নিগ্ধা বিশ্বাস, পূর্ণিমা নম, পলি রানী দাশ, মন্টি সরকার ও পপি দাশ।
মামলার আরজিতে উল্লেখ করা হয়, চাকরির আবেদনে নিজেদের স্থায়ী ঠিকানা গোপন করে সিলেট জেলার বিভিন্ন উপজেলার ভুয়া স্থায়ী ঠিকানা তৈরি করে বিভিন্ন পদে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছেন ওই আটজন। লুৎফুন্নাহার জেসমিন ও বরুণ ছত্রী পরস্পর যোগসাজশে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার উদ্দেশ্যে জালিয়াতি ও প্রতারণার মাধ্যমে তাঁদের অবৈধভাবে নিয়োগ দেন।
দুদক সিলেটের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক নিঝুম রায় বলেন, জেলা নিয়োগ ও বাছাই কমিটির সুপারিশবহির্ভূত আটজনের অনুকূলে নিয়োগপত্র জারি করা হয়েছিল। এ ছাড়া আসামিদের বিরুদ্ধে ভুয়া ঠিকানা ব্যবহার করে নিয়োগ পাওয়ার অভিযোগের সত্যতাও পাওয়া গেছে। পরে দুদক প্রধান কার্যালয় থেকে অনুমোদন পাওয়ার পর আদালতে মামলাটি করা হয়।