
মুহুর্ত ডেস্ক: ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত এরিক গারসেটি জানিয়েছেন যে, দুই দেশের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা পর্যায়ে বৈঠক হয়েছে, যেখানে বাংলাদেশের দ্রুততম সময়ের মধ্যে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যাপারে আলোচনা হয়েছে। কিন্তু কেন? নির্বাচনে সহযোগিতা করতে চাওয়া কি বাংলাদেশের নিজস্ব ক্ষমতা ও সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত নয়?
কলকাতার আমেরিকান সেন্টারে মতবিনিময়ের সময় গারসেটি বলেন, তারা বাংলাদেশে দ্রুততম সময়ে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের ব্যাপারে আলোচনা করেছেন। কিন্তু প্রশ্ন হলো, এর পেছনে তাদের উদ্দেশ্য কী? কেন তারা বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে এমন খোলামেলা হস্তক্ষেপ করছে?
এছাড়া, বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তার ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে গারসেটি জানিয়েছেন। বিদায়ি প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং পরবর্তী প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের অধিকার ও নিরাপত্তার ব্যাপারে গুরুত্ব দিয়েছেন। কিন্তু, এই হাস্যকর বিষয়টির গুরুত্ব কি সত্যিই বাংলাদেশের স্বার্থে, নাকি অন্য কোনো লুকায়িত এজেন্ডা রয়ে গেছে এর পেছনে?
অন্যদিকে, ওয়াশিংটনে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে জ্যাক সুলিভান বলেছেন যে, শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার পতনে যুক্তরাষ্ট্র ‘কলকাঠি নেড়েছে’ বলে যে গুঞ্জন চলছে, তা সম্পূর্ণ ‘অযৌক্তিক’। কিন্তু কে জানে, এই কথার পেছনে কতটা সত্যতা লুকিয়ে আছে। ভারতও এই গুঞ্জন বিশ্বাস করে না, কিন্তু এমন পরিস্থিতিতে কার বিশ্বাসযোগ্যতা কিভাবে যাচাই করা যাবে?
এই সব কিছুতেই অনেক প্রশ্ন উঠছে, যা রীতিমতো অবাক করা এবং চিন্তার উদ্রেক করছে।